রাজনীতি ভোগের নয় ত্যাগের, ত্যাগীদের নাম ত্যাগের মাধ্যমেই স্বর্নালী অক্ষরে লেখা হয় ইতিহাসে।

Spread the love

বিশ্বে নিজের জাতিকে মহামান্বিত করেছেন রাজনীতি করনের মাধ্যমে—– জর্জ ওয়াশিংটন, মা ও সেতুং,আব্রাহাম লিংকন,মহাত্মা গান্ধী, চেগুয়েভারা, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, নেলসন ম্যান্ডেলা প্রমুখ। এই সব মহান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিজ জাতির দুঃখকে নিজের দুঃখ, জাতির সুখকে নিজের সুখ,নিজেকে নিয়ে ভাবেন নি,পরোয়া করেননি নিজ মৃত্যুকে, কর্মের মাধ্যমে নিজ জীবনকে উন্নীত করেছেন এক অনন্য পাহাড়সম উচ্চতায় এবং ঠাই পেয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। যুগে যুগে কালে কালে এই মহান ব্যক্তিবর্গের নাম চিরস্মরণীয়, অম্লান হয়ে আছে এবং থাকবে।
আমি এই মহান রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের উদাহরন লিখেছি আমাদের দেশের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নিজের কর্মের মধ্য দিয়ে উন্নীত করেছেন মহৎ রাজনীতিবিদ ও মহৎ শাসকের গুনাবলী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ টি কারনে অনন্য ইতিহাস করেছেন ——
১)দেশ ও জাতিকে তিনি কলংকমুক্ত করেছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা দেশ ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল হত্যা,ধর্ষন, লুন্ঠনের নেতৃত্ব দিয়েছিল অপরাধী হয়ে ও যারা ১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট এর পর রাষ্ট্র ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে গিয়েছিল সেই যুদ্ধাপরাধী কে বিচার করে ফাঁসির রায় কার্যকরস্বরুপ তিনি সৃষ্টি করেছেন এক অনন্য ইতিহাস।
২) জাতির পিতা ও বাংলাদেশের স্হপতি বঙ্গবন্ধু কে হত্যাকারীর হত্যার বিচার সম্পন্ন করে বিচারহীনতার সংস্কৃতির বলয় থেকে উদ্ধার করলেন দেশকে, মোচন করলেন বাঙালী কলংক।

৩)যে চেতনার মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর সে চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প মেখে যেই পাকিস্তান হতে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা – বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা দেশ যেন সেই আবার চিন্তা / চেতনা পাকিস্তানের ধারক বাহক হয়ে সেই পাকিস্তান বা আফগানিস্তান এর মতন এখন যেভাবে প্রতিদিন বোমার আওয়াজ শুনা যায় সেই দিকে যেন ধাবিত হচ্ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে শক্ত হাতে দমন করলেন সাম্প্রদায়িকতাকে এবং দেশ কে প্রগতিশীলতার পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টারত।
একজন রাষ্ট্রনায়কের যে গুনাবলী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই সঙ্গে সৎ,নির্ভীক, কোশলী বুদ্ধিমান, জনদরদি তদুপরি তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী আবার অন্য দিক বিশ্লেষণ করলে পরিলক্ষিত হয় — ভালবাসার প্রতীক, স্নেহ, দয়াময়া, নিরহন্কারী,শালীনতার প্রতীক। নিজ বিরুদ্ধ কারীদের খোজ খবর বা বঙ্গবন্ধু কে গালি দেওয়া ব্যক্তিকে অনুদান দিতে কুন্ঠাবোধ করেন না। সবচেয়ে দেশে যখন কোন সংকট আসে তিনি সামাল দেন দৃঢ়চেতা মনোভাব নিয়ে। ২৩ বার বা ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মৃত্যর মুখে দাড়িয়ে ও ফিনিক্স পাখির মতো যেন ধ্বংসস্তূপ হতে জেগে উঠে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে দূর্নীতিতে পর পর ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিএন পি শাসনামলে ২০০১ সাল হতে ২০০৫ সালে,সেই দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন — রবীন্দ্রনাথের “সোনার বাংলা” আর জীবনানন্দের ” রুপসী বাংলা” দিকে।
সুতরাং বাংলাদেশ এর ইতিহাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে থাকবেন। কেউ যদি নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেন উল্টো চেষ্টাকারীরাই নিক্ষিপ্ত হবেন আস্তাকুঁড়ে। নিজের ছেলেমেয়ে কে আর বোনের ছেলে মেয়েকে নিজের আত্মীয় বলে পরিচয় দেন এই মুহুর্তে দূর্নীতিবিরোধী অভিযানে। আর কেউ না। এই প্রেক্ষিতে কি কোন মন্তব্য করা যায়।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

Leave a Comment

Your email address will not be published.